০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

বাঁকখালী নদীতে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: ৩ মামলায় আসামি ১৬৫০

ইউএনএ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 100

কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের বিক্ষোভ ও প্রতিরোধের ঘটনায় আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কক্সবাজার নদী বন্দরের পোর্ট অফিসার মোহাম্মদ আবদুল ওয়াকিল বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় এ মামলাটি করেন।

এতে প্রধান আসামি করা হয়েছে অ্যাডভোকেট মনির উদ্দিনকে। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, নেতা মাশেদুল হক রাশেদ, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহীনুল হক মার্শাল, ব্যবসায়ী ও সিআইপি আতিকুল ইসলাম (আতিক), আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুল খালেক চেয়ারম্যানসহ মোট ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৮০০ থেকে ১,০০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

গত শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) অভিযানের পঞ্চম দিনে গুমগাছতলা এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতা উচ্ছেদে ব্যবহৃত এস্কেভেটর ভাঙচুর করে এবং সেনাবাহিনী-পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে সকাল ১১টার দিকে বাধ্য হয়ে প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করে পিছু হটে।

এর আগে দ্বিতীয় দিনে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ২৫০ জনকে আসামি করে মামলা হয়। তৃতীয় দিনে পেশকারপাড়ায় বাধা দেওয়ার ঘটনায় আরও ৪০০ জনকে আসামি করা হয়।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরিবেশ ও পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বাঁকখালী নদী যেকোনো মূল্যে দখলমুক্ত করা হবে। কেন উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়া হলো এবং এর পেছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

উল্লেখ্য, হাইকোর্টের নির্দেশে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাঁকখালী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

বাঁকখালী নদীতে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: ৩ মামলায় আসামি ১৬৫০

আপডেট: ০৫:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের বিক্ষোভ ও প্রতিরোধের ঘটনায় আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কক্সবাজার নদী বন্দরের পোর্ট অফিসার মোহাম্মদ আবদুল ওয়াকিল বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় এ মামলাটি করেন।

এতে প্রধান আসামি করা হয়েছে অ্যাডভোকেট মনির উদ্দিনকে। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, নেতা মাশেদুল হক রাশেদ, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহীনুল হক মার্শাল, ব্যবসায়ী ও সিআইপি আতিকুল ইসলাম (আতিক), আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুল খালেক চেয়ারম্যানসহ মোট ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৮০০ থেকে ১,০০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

গত শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) অভিযানের পঞ্চম দিনে গুমগাছতলা এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতা উচ্ছেদে ব্যবহৃত এস্কেভেটর ভাঙচুর করে এবং সেনাবাহিনী-পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে সকাল ১১টার দিকে বাধ্য হয়ে প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করে পিছু হটে।

এর আগে দ্বিতীয় দিনে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ২৫০ জনকে আসামি করে মামলা হয়। তৃতীয় দিনে পেশকারপাড়ায় বাধা দেওয়ার ঘটনায় আরও ৪০০ জনকে আসামি করা হয়।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরিবেশ ও পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বাঁকখালী নদী যেকোনো মূল্যে দখলমুক্ত করা হবে। কেন উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়া হলো এবং এর পেছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

উল্লেখ্য, হাইকোর্টের নির্দেশে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাঁকখালী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

শেয়ার করুন