১১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

ভদ্রতা হারানো মানে পরাজয় মেনে নেওয়া: তাসনিম জারা

ইউএনএ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:১৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 71

ছবি: এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা

নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলা হয়েছে। তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়েছে, গালিগালাজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। মঙ্গলবার রাতে দেওয়া এক স্ট্যাটেসে তিনি বলেন, ভদ্রতা হারানো মানে পরাজয় মেনে নেওয়া।

তাসনিম জারা লেখেন, ‘ওনারা ভেবেছিল ডিম ছুঁড়ে, গালি দিয়ে আমাদের ছোট করবে। কিন্তু গালি কখনো সত্যকে ঢাকতে পারে না। ভদ্রতা হারানো মানে পরাজয় মেনে নেওয়া।’

তিনি আরও লেখেন, ‘ওনারা অপমানের রাজনীতি করুক। আমরা মর্যাদার রাজনীতি গড়ব। মর্যাদা মানে শুধু নেতাদের সম্মান দেওয়া নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের সম্মান নিশ্চিত করা। যেমন—

– একজন নাগরিক ঘুস না দিয়েও সরকারি অফিসে সম্মান পাবেন।

– একজন রোগী হাসপাতালে ভিআইপি না হয়েও সেবা পাবেন।

– রাজনীতিবিদরা প্রভু না হয়ে সেবক হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াবেন।

– একজন নারী রাস্তায়, বাসে, বা অনলাইনে হেনস্তার শিকার হবেন না।

– একজন ছাত্র মিছিলে গেলে গুলি খাবেন না।

– একজন নাগরিক মন্ত্রী-এমপিদের সমালোচনা করতে পারবেন কোন ভয় ছাড়া।

আমাদের মর্যাদার রাজনীতি মানে হলো: বাংলাদেশে আর কাউকে ভয় দেখিয়ে, ঘুস খাইয়ে, অপমান করে চুপ করানো যাবে না।’

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

ভদ্রতা হারানো মানে পরাজয় মেনে নেওয়া: তাসনিম জারা

আপডেট: ০৪:১৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলা হয়েছে। তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়েছে, গালিগালাজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। মঙ্গলবার রাতে দেওয়া এক স্ট্যাটেসে তিনি বলেন, ভদ্রতা হারানো মানে পরাজয় মেনে নেওয়া।

তাসনিম জারা লেখেন, ‘ওনারা ভেবেছিল ডিম ছুঁড়ে, গালি দিয়ে আমাদের ছোট করবে। কিন্তু গালি কখনো সত্যকে ঢাকতে পারে না। ভদ্রতা হারানো মানে পরাজয় মেনে নেওয়া।’

তিনি আরও লেখেন, ‘ওনারা অপমানের রাজনীতি করুক। আমরা মর্যাদার রাজনীতি গড়ব। মর্যাদা মানে শুধু নেতাদের সম্মান দেওয়া নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের সম্মান নিশ্চিত করা। যেমন—

– একজন নাগরিক ঘুস না দিয়েও সরকারি অফিসে সম্মান পাবেন।

– একজন রোগী হাসপাতালে ভিআইপি না হয়েও সেবা পাবেন।

– রাজনীতিবিদরা প্রভু না হয়ে সেবক হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াবেন।

– একজন নারী রাস্তায়, বাসে, বা অনলাইনে হেনস্তার শিকার হবেন না।

– একজন ছাত্র মিছিলে গেলে গুলি খাবেন না।

– একজন নাগরিক মন্ত্রী-এমপিদের সমালোচনা করতে পারবেন কোন ভয় ছাড়া।

আমাদের মর্যাদার রাজনীতি মানে হলো: বাংলাদেশে আর কাউকে ভয় দেখিয়ে, ঘুস খাইয়ে, অপমান করে চুপ করানো যাবে না।’

শেয়ার করুন