০২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

কক্সবাজার সৈকতের অবৈধ দোকান উচ্ছেদের নির্দেশ

ইউএনএ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:২৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 64

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি এলাকায় গড়ে ওঠা দোকান ও বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত এসব স্থাপনার লাইসেন্স ও অনুমোদন অবিলম্বে বাতিল করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ কামরুজ্জামান এনডিসি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে এ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে সরকার কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) হিসেবে ঘোষণা করে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী এই এলাকায় ক্ষতিকর সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ।এই এলাকায় বন উজাড়, বন্যপ্রাণি ধরা, ভূমি ও পানির বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন, দূষণকারী শিল্প স্থাপন এবং বালিয়াড়িতে স্থাপনা নির্মাণ আইনত নিষিদ্ধ।এছাড়া, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনও করা যাবে না।

মহামান্য সুপ্রিম কোর্টও ২০১৮ সালের এক রায়ে উল্লেখ করেছেন যে, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও ইসিএ বিধিমালা অন্য সব আইনের উপরে প্রাধান্য পাবে। তবুও আইন ভঙ্গ করে শত শত দোকান ও বাণিজ্যিক স্থাপনা তৈরি হয়েছে। এসব স্থাপনা সৈকতের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করেছে। এতে পরিবেশবান্ধব পর্যটনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

কক্সবাজার সৈকতের অবৈধ দোকান উচ্ছেদের নির্দেশ

আপডেট: ০৪:২৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি এলাকায় গড়ে ওঠা দোকান ও বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত এসব স্থাপনার লাইসেন্স ও অনুমোদন অবিলম্বে বাতিল করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ কামরুজ্জামান এনডিসি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে এ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে সরকার কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) হিসেবে ঘোষণা করে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী এই এলাকায় ক্ষতিকর সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ।এই এলাকায় বন উজাড়, বন্যপ্রাণি ধরা, ভূমি ও পানির বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন, দূষণকারী শিল্প স্থাপন এবং বালিয়াড়িতে স্থাপনা নির্মাণ আইনত নিষিদ্ধ।এছাড়া, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনও করা যাবে না।

মহামান্য সুপ্রিম কোর্টও ২০১৮ সালের এক রায়ে উল্লেখ করেছেন যে, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও ইসিএ বিধিমালা অন্য সব আইনের উপরে প্রাধান্য পাবে। তবুও আইন ভঙ্গ করে শত শত দোকান ও বাণিজ্যিক স্থাপনা তৈরি হয়েছে। এসব স্থাপনা সৈকতের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করেছে। এতে পরিবেশবান্ধব পর্যটনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

শেয়ার করুন