০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মহেশখালী-মাতারবাড়ীতে নতুন শহর গড়ে উঠবে: প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

ইউএনএ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:১৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 100

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহেশখালী-মাতারবাড়ীতে কেবল গভীর সমুদ্রবন্দর নয়, গড়ে উঠবে একটি নতুন শহর। সেখান থেকেই তৈরি হবে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সংযোগ (ইন্টারন্যাশনাল কানেক্টিভিটি)।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ ভিশন তুলে ধরেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মিডার চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, সদস্য কমোডর তানজিম ফারুক ও মো. সারোয়ার আলম। প্রধান উপদেষ্টার পক্ষে অংশ নেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না।

মিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী প্রকল্পের ওপর প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, তিন ধাপে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে—প্রথম ধাপ ২০২৫-২০৩০, দ্বিতীয় ধাপ ২০৩০-২০৪৫ এবং তৃতীয় ধাপ ২০৪৫-২০৫৫ পর্যন্ত। এ প্রকল্প সম্পন্ন হলে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং দেশের জিডিপিতে যুক্ত হবে দেড়শ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “শুধু গভীর সমুদ্রবন্দর নয়, আমাদের ব্লু ইকনোমি গড়ে তোলার ভিশন নিতে হবে। মহেশখালী হবে একটি পূর্ণাঙ্গ নতুন শহর, যেখান থেকে বিশ্বের সঙ্গে আমাদের সমুদ্রপথে সংযোগ সৃষ্টি হবে। সমুদ্রই হবে বিশ্বের পথে বাংলাদেশের মহাসড়ক।”

তিনি গভীর সমুদ্র নিয়ে গবেষণা, আন্তর্জাতিক মানের ট্রেইনিং ফ্যাসিলিটি স্থাপন ও ওশান ইকনোমি বিষয়ে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও বৈঠকে আলোচনা হয়।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, “আমরা সমুদ্র জগতে প্রবেশ করিনি, গবেষণাও করিনি। তাই বিশ্বমানের গবেষণা ও একাডেমিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে, যাতে বাংলাদেশ সমুদ্র অর্থনীতিতে নেতৃত্ব নিতে পারে।”

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

মহেশখালী-মাতারবাড়ীতে নতুন শহর গড়ে উঠবে: প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

আপডেট: ০৭:১৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহেশখালী-মাতারবাড়ীতে কেবল গভীর সমুদ্রবন্দর নয়, গড়ে উঠবে একটি নতুন শহর। সেখান থেকেই তৈরি হবে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সংযোগ (ইন্টারন্যাশনাল কানেক্টিভিটি)।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ ভিশন তুলে ধরেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মিডার চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, সদস্য কমোডর তানজিম ফারুক ও মো. সারোয়ার আলম। প্রধান উপদেষ্টার পক্ষে অংশ নেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না।

মিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী প্রকল্পের ওপর প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, তিন ধাপে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে—প্রথম ধাপ ২০২৫-২০৩০, দ্বিতীয় ধাপ ২০৩০-২০৪৫ এবং তৃতীয় ধাপ ২০৪৫-২০৫৫ পর্যন্ত। এ প্রকল্প সম্পন্ন হলে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং দেশের জিডিপিতে যুক্ত হবে দেড়শ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “শুধু গভীর সমুদ্রবন্দর নয়, আমাদের ব্লু ইকনোমি গড়ে তোলার ভিশন নিতে হবে। মহেশখালী হবে একটি পূর্ণাঙ্গ নতুন শহর, যেখান থেকে বিশ্বের সঙ্গে আমাদের সমুদ্রপথে সংযোগ সৃষ্টি হবে। সমুদ্রই হবে বিশ্বের পথে বাংলাদেশের মহাসড়ক।”

তিনি গভীর সমুদ্র নিয়ে গবেষণা, আন্তর্জাতিক মানের ট্রেইনিং ফ্যাসিলিটি স্থাপন ও ওশান ইকনোমি বিষয়ে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও বৈঠকে আলোচনা হয়।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, “আমরা সমুদ্র জগতে প্রবেশ করিনি, গবেষণাও করিনি। তাই বিশ্বমানের গবেষণা ও একাডেমিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে, যাতে বাংলাদেশ সমুদ্র অর্থনীতিতে নেতৃত্ব নিতে পারে।”

শেয়ার করুন