০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

জাতীয় নির্বাচন পুলিশের জন্য ঐতিহাসিক পরীক্ষা: আইজিপি

ইউএনএ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 59

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বাংলাদেশ পুলিশের জন্যও এটি এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, “এটি কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং গণতন্ত্রের শেকড়কে আরও সুদৃঢ় করার এক সুযোগ। নির্বাচনের সময় দেড় লাখের বেশি পুলিশ সদস্য মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের প্রত্যেকের কার্যক্রম জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। তাই প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতির মাধ্যমে প্রত্যেককে দক্ষ ও সুশৃঙ্খল হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, সততা, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারলে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিসরেও প্রমাণ করা যাবে যে বাংলাদেশ পুলিশ একটি আধুনিক, গণতন্ত্র-সমর্থক এবং কার্যকর বাহিনী।

আইজিপি বাহারুল আলম প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “শুধু আইনকানুন শেখা নয়; বরং চাপের মধ্যেও কীভাবে নিরপেক্ষ থাকা যায়, সংঘাত এড়িয়ে সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া যায় এবং মানুষের আস্থা অর্জন করে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা যায়—তা শিখতে হবে।”

তিনি পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ ধৈর্য, বিচক্ষণতা, আত্মসংযম ও ত্যাগ স্বীকারের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, আসন্ন নির্বাচন হবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর নির্বাচন।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

জাতীয় নির্বাচন পুলিশের জন্য ঐতিহাসিক পরীক্ষা: আইজিপি

আপডেট: ০৮:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বাংলাদেশ পুলিশের জন্যও এটি এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, “এটি কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং গণতন্ত্রের শেকড়কে আরও সুদৃঢ় করার এক সুযোগ। নির্বাচনের সময় দেড় লাখের বেশি পুলিশ সদস্য মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের প্রত্যেকের কার্যক্রম জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। তাই প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতির মাধ্যমে প্রত্যেককে দক্ষ ও সুশৃঙ্খল হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, সততা, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারলে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিসরেও প্রমাণ করা যাবে যে বাংলাদেশ পুলিশ একটি আধুনিক, গণতন্ত্র-সমর্থক এবং কার্যকর বাহিনী।

আইজিপি বাহারুল আলম প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “শুধু আইনকানুন শেখা নয়; বরং চাপের মধ্যেও কীভাবে নিরপেক্ষ থাকা যায়, সংঘাত এড়িয়ে সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া যায় এবং মানুষের আস্থা অর্জন করে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা যায়—তা শিখতে হবে।”

তিনি পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ ধৈর্য, বিচক্ষণতা, আত্মসংযম ও ত্যাগ স্বীকারের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, আসন্ন নির্বাচন হবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর নির্বাচন।

শেয়ার করুন