০৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পর্তুগালে দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত, জাতীয় শোক ঘোষণা

ইউএনএ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 74

ছবি: লিসবনে ভয়াবহ ফানিকুলার দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত এবং অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে ভয়াবহ ফানিকুলার দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত এবং অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। এ ঘটনায় দেশটিতে জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে ‘এলিভাদোর গ্লোরিয়া’ নামের ক্যাবল রেলটি দ্রুতগতিতে নিচে নামার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের একটি ভবনে ধাক্কা খায়। এতে ফানিকুলারটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের লিসবনের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন গর্ভবতী নারী ও তার শিশুও রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে স্থানীয় নাগরিকের পাশাপাশি বিদেশিও আছেন, তবে তাদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

লিসবনের মেয়র কার্লোস মোয়েদা এই ঘটনাকে অভূতপূর্ব ও মর্মান্তিক বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। দুর্ঘটনার পর বৃহস্পতিবার থেকে পর্তুগালে জাতীয় শোক এবং লিসবনে টানা তিন দিনের শোক পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

‘এলিভাদোর গ্লোরিয়া’ ১৮৮৫ সাল থেকে লিসবনের ঐতিহাসিক বাইরো আলতো এলাকায় যাত্রী পরিবহন করে আসছিল। দুর্ঘটনার পর শহরের সব ফানিকুলার সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

পর্তুগালে দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত, জাতীয় শোক ঘোষণা

আপডেট: ১২:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে ভয়াবহ ফানিকুলার দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত এবং অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। এ ঘটনায় দেশটিতে জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে ‘এলিভাদোর গ্লোরিয়া’ নামের ক্যাবল রেলটি দ্রুতগতিতে নিচে নামার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের একটি ভবনে ধাক্কা খায়। এতে ফানিকুলারটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের লিসবনের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন গর্ভবতী নারী ও তার শিশুও রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে স্থানীয় নাগরিকের পাশাপাশি বিদেশিও আছেন, তবে তাদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

লিসবনের মেয়র কার্লোস মোয়েদা এই ঘটনাকে অভূতপূর্ব ও মর্মান্তিক বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। দুর্ঘটনার পর বৃহস্পতিবার থেকে পর্তুগালে জাতীয় শোক এবং লিসবনে টানা তিন দিনের শোক পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

‘এলিভাদোর গ্লোরিয়া’ ১৮৮৫ সাল থেকে লিসবনের ঐতিহাসিক বাইরো আলতো এলাকায় যাত্রী পরিবহন করে আসছিল। দুর্ঘটনার পর শহরের সব ফানিকুলার সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন