নুরাল পাগলার লাশ পোড়ানোর ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতা ফুটে উঠেছে: এনসিপি

- আপডেট: ০৫:০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 84
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে ‘নুরাল পাগলা’র মাজারে হামলা চালিয়ে মরদেহ তুলে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি বলেছে, এটি সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চরম ব্যর্থতা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বহীনতার জ্বলন্ত প্রমাণ।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এনসিপি জানায়, “ঈমান-আকিদা রক্ষা কমিটি”র ব্যানারে কিছু উগ্র জনতা মাজারে ভাঙচুর চালিয়ে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলে— যা ঘৃণ্য ও অমানবিক অপরাধ। গণমাধ্যমের খবরে উঠে এসেছে, ওই কমিটির সঙ্গে বিএনপি, জামায়াত ও স্থানীয় আলেম সমাজ যুক্ত ছিল। তাদের দাবি ছিল, নুরুল হককে শরিয়তবিরোধীভাবে কাবা শরিফের আদলে কালো ঘরে দাফন করা হয়েছে।
এনসিপির অভিযোগ, সহিংসতার ইঙ্গিত কয়েক দিন আগেই পাওয়া গেলেও প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। পাশাপাশি ধর্মীয় আবেগকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করায় মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।
দলটি ঘটনাটিকে শুধু ফৌজদারি অপরাধ নয়, বরং ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধে সরাসরি আঘাত হিসেবে আখ্যায়িত করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে।
এনসিপি আরও অভিযোগ করে, সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার তেজগাঁও ও সর্বশেষ রাজবাড়ীর ঘটনা— সবকিছুই একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্তের অংশ, যা অস্থিরতা তৈরি করে ফ্যাসিবাদী শক্তির পুনরুত্থান ঘটাতে পারে।
বিবৃতির শেষাংশে এনসিপি বলেছে, “নতুন বাংলাদেশের লক্ষ্যে এগোতে হলে এ ধরনের অস্থিরতা দমন করতে হবে এবং গোপন ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। আমরা আশা করি অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।”










