০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

নুরাল পাগলার দরবারে হামলার ঘটনায় মামলা, আসামি সাড়ে ৩ হাজার

ইউএনএ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 84

ছবি: পুরোনো ছবি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে ‘নুরাল পাগলা’র দরবার শরিফে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ মামলা দায়ের করেছে। মামলায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে গোয়ালন্দ ঘাট থানার এসআই মো. সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। অভিযোগে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

গোয়ালন্দ থানার ওসি মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের পর পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ‘ইমান আকিদা রক্ষা কমিটি’র ব্যানারে মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ফকীর মহিউদ্দিন আনসার ক্লাবে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা দরবার শরিফের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ ও প্রশাসন তাদের বাধা দেয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও থানার ওসির গাড়ি ভাঙচুর করে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের দুই সদস্যকে পিটিয়ে ও ঢিল ছুঁড়ে আহত করে।

পরে বিক্ষুব্ধরা দরবার শরিফে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়। এক পর্যায়ে তারা নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার মরদেহ কবর থেকে তুলে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পদ্মার মোড় এলাকায় নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ফেলে।

ওসি রাকিবুল ইসলাম জানান, হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং এতে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

নুরাল পাগলার দরবারে হামলার ঘটনায় মামলা, আসামি সাড়ে ৩ হাজার

আপডেট: ০১:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে ‘নুরাল পাগলা’র দরবার শরিফে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ মামলা দায়ের করেছে। মামলায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে গোয়ালন্দ ঘাট থানার এসআই মো. সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। অভিযোগে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

গোয়ালন্দ থানার ওসি মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের পর পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ‘ইমান আকিদা রক্ষা কমিটি’র ব্যানারে মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ফকীর মহিউদ্দিন আনসার ক্লাবে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা দরবার শরিফের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ ও প্রশাসন তাদের বাধা দেয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও থানার ওসির গাড়ি ভাঙচুর করে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের দুই সদস্যকে পিটিয়ে ও ঢিল ছুঁড়ে আহত করে।

পরে বিক্ষুব্ধরা দরবার শরিফে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়। এক পর্যায়ে তারা নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার মরদেহ কবর থেকে তুলে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পদ্মার মোড় এলাকায় নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ফেলে।

ওসি রাকিবুল ইসলাম জানান, হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং এতে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে।

শেয়ার করুন