০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নেপালে সহিংসতা: অল্পের জন্য রক্ষা পেল বাংলাদেশ ফুটবল দল

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট: ১২:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 42

নেপালে চলমান সহিংস বিক্ষোভের মধ্যে কাঠমান্ডুর টিম হোটেলে হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা। গত দুই দিন ধরে তারা রাজধানীর ক্রাউন ইম্পেরিয়াল হোটেলে প্রায় বন্দিদশায় রয়েছেন।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আন্দোলনকারীরা হোটেলের গেট ভাঙচুর ও ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। জাতীয় দলের স্ট্রাইকার সুমন রেজা বলেন, “কয়েকজন ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। হোটেল কর্তৃপক্ষ নানাভাবে বোঝালে তারা সরে যায়। ঘটনাটা খুব ভয়ঙ্কর ছিল।”

এরই মধ্যে নিরাপত্তা উদ্বেগে খেলোয়াড়রা অনুশীলনে বের হতে পারেননি। তাছাড়া ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় মঙ্গলবার দেশে ফেরার ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে।

রাইট উইঙ্গার শাহরিয়ার ইমন জানান, “আমরা ভালো আছি, তবে টেনশন কাজ করছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে ফিরতে চাই।” একই সুর ডিফেন্ডার তাজ উদ্দিনেরও। গোলকিপার সুজন হোসেন বলেন, তার মা–বাবা দেশে বসে উদ্বিগ্ন হলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে সবাই ভালো আছেন।

অভিজ্ঞ লেফটব্যাক ইসা ফয়সাল জানান, হোটেলের পাশের এক সংসদ সদস্যের বাড়িতে ভাঙচুরের প্রভাব পড়েছে আশপাশেও। নতুন ডাক পাওয়া আবদুল্লাহ ওমর বলেন, “কল্পনাই করিনি, খেলতে এসে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে।”

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ দলটি ৩ সেপ্টেম্বর দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে নেপালে যায়। প্রথম ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হলেও দ্বিতীয় ম্যাচটি সহিংসতার কারণে স্থগিত হয়েছে।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

নেপালে সহিংসতা: অল্পের জন্য রক্ষা পেল বাংলাদেশ ফুটবল দল

আপডেট: ১২:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালে চলমান সহিংস বিক্ষোভের মধ্যে কাঠমান্ডুর টিম হোটেলে হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা। গত দুই দিন ধরে তারা রাজধানীর ক্রাউন ইম্পেরিয়াল হোটেলে প্রায় বন্দিদশায় রয়েছেন।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আন্দোলনকারীরা হোটেলের গেট ভাঙচুর ও ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। জাতীয় দলের স্ট্রাইকার সুমন রেজা বলেন, “কয়েকজন ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। হোটেল কর্তৃপক্ষ নানাভাবে বোঝালে তারা সরে যায়। ঘটনাটা খুব ভয়ঙ্কর ছিল।”

এরই মধ্যে নিরাপত্তা উদ্বেগে খেলোয়াড়রা অনুশীলনে বের হতে পারেননি। তাছাড়া ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় মঙ্গলবার দেশে ফেরার ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে।

রাইট উইঙ্গার শাহরিয়ার ইমন জানান, “আমরা ভালো আছি, তবে টেনশন কাজ করছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে ফিরতে চাই।” একই সুর ডিফেন্ডার তাজ উদ্দিনেরও। গোলকিপার সুজন হোসেন বলেন, তার মা–বাবা দেশে বসে উদ্বিগ্ন হলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে সবাই ভালো আছেন।

অভিজ্ঞ লেফটব্যাক ইসা ফয়সাল জানান, হোটেলের পাশের এক সংসদ সদস্যের বাড়িতে ভাঙচুরের প্রভাব পড়েছে আশপাশেও। নতুন ডাক পাওয়া আবদুল্লাহ ওমর বলেন, “কল্পনাই করিনি, খেলতে এসে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে।”

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ দলটি ৩ সেপ্টেম্বর দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে নেপালে যায়। প্রথম ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হলেও দ্বিতীয় ম্যাচটি সহিংসতার কারণে স্থগিত হয়েছে।

শেয়ার করুন