অলি সরকারের পতনে নেপালে অস্থিরতা, অন্তর্বর্তী সরকারের তোড়জোড়

- আপডেট: ১১:২৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 42
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও লাগাতার বিক্ষোভের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন সড়কে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যান টহল দিচ্ছে, বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। সাধারণ মানুষকে ঘরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভ ও সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া:
জেন-জি বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেছেন, তাদের অহিংস আন্দোলনকে কিছু অনুপ্রবেশকারী সহিংসতায় রূপ দিয়েছে। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজারাম বাসনেটও তা স্বীকার করে বলেন, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ নিয়ন্ত্রণে প্রচেষ্টা চলছে। এ পর্যন্ত ২৭ জন গ্রেফতার ও ৩১টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগ:
জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের তোড়জোড় চলছে। সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগডেল বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধিদের আলোচনায় ডাক দিয়েছেন। সম্ভাব্য প্রধান হিসেবে আলোচনায় আছেন কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহ এবং নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। শিক্ষার্থীরা কার্কিকেই পছন্দের প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
ক্ষয়ক্ষতি ও প্রতিক্রিয়া:
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সহিংসতায় অন্তত ৩০ জন নিহত ও এক হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। সোমবার সরকারি বাহিনীর গুলিবর্ষণের পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যার পর অলি ও অন্যান্য মন্ত্রী পদত্যাগ করেন।
তরুণ প্রজন্ম পরিবর্তনের আশায় উজ্জীবিত হলেও অনেকেই সহিংসতার সমালোচনা করছেন। কেউ কেউ জাতীয় সম্পদ ধ্বংসকে অগ্রহণযোগ্য বলেছেন।
আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া:
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বেগ প্রকাশ করে নেপালে আটকে পড়া পশ্চিমবঙ্গবাসীর নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের আশ্বাস দিয়েছেন।




















