রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিনিয়োগ ও উন্নয়ন হুমকিতে -রুমিন ফারহানা

- আপডেট: ০৫:৫২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 75
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, দেশে পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে — বিনিয়োগ কমছে, অস্থিরতা বাড়ছে এবং মেধাবী তরুণরা জীবনের সুযোগ খুঁজে বিদেশে পাড়ি জমানোর দিকে ঝুঁকছে। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাদের অস্থায়ী ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণে লিপ্ত থেকে দায়িত্ব পালন করছেন না, ফলে দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন বিঘ্নিত হচ্ছে।
টকশোতে রুমিন ফারহানা বলেন, “যতো দিন যাচ্ছে ততোই পরিস্থিতি ঘোলাটে হচ্ছে। দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও আইনশৃঙ্খলার অবস্থা ক্রমে খারাপের দিকে যাচ্ছে।” তিনি দাবি করেন, বিনিয়োগকারীরা স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ দেখতে চায়; কিন্তু বর্তমানে সেই নিশ্চয়তা নেই।
রুমিন নেপালের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে অল্প সংখ্যক মন্ত্রিসভা দায়িত্ব নিয়ে শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচনের লক্ষ্যে কাজ শুরু করে; অপরদিকে এখানে অন্তর্বর্তীকালকে টালবাহানায় পরিণত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে এসে কেউ কখনোই যে অতীত ক্ষমতার মতো জীবনযাপন করল, তা আমরা দেখছি — বাস্তবে কোনো গুরুতর সংস্কার কাজ হচ্ছে না।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে সংবিধান সংস্কার, পুলিশ সংস্কার, নারী-সংস্কারসহ বিভিন্ন কমিশন গঠিত হওয়া সত্ত্বেও বাস্তব প্রয়োগ ও রূপায়ণে অগ্রগতি কম। রুমিন জনগণের অধৈর্যের কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন—অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগের পতন ও সামাজিক অবস্থা টিকে থাকা কঠিন করে তুলছে।
বিগত একবছরে প্রায় ৩৭০–৩৮০টি মারাত্মক সহিংস ঘটনা (মব) ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং বলেন, “এমন পরিবেশে কোনো বিনিয়োগকারী বা স্থির জীবনযাপনকারী থাকবে না; আশঙ্কা আছে মেধাবী তরুণরা দেশ ছেড়ে যাবে।” তিনি শেষ করেন, দেশের শাসনব্যবস্থায় জড়িতদের প্রতি সতর্ক বার্তা উচ্চারণ করে—দায়বোধ নিয়ে কাজ না করলে ভবিষ্যৎ আরো অনিশ্চিত হবে।










