০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

বাগেরহাটে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, দূরপাল্লা-অভ্যন্তরীণ রুটে যান চলাচল বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট: ১২:২২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 79

বাগেরহাটে ৪টি সংসদীয় আসন বহাল রাখার দাবিতে তৃতীয় দফায় তিন দিনের হরতাল শুরু হয়েছে। সোমবার সকালে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে হরতালের সমর্থনে মিছিল করেন। এছাড়া হরতালের সমর্থনে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

সকাল থেকেই বাগেরহাট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লা এবং অভ্যন্তরীণ রুটে কোনো যানবাহন চলাচল করছে না। তবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। মহাসড়ক ও ছোট ছোট সড়কে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও রিকশা চলাচল করছে।

এব্যাপারে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালাম বলেন, জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে আমরা শুধু মহাসড়কে হরতাল পালন করছি। ইজিবাইক, রিকশা, মোটরসাইকেলসহ দুই চাকার সব যান এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হরতালের আওতামুক্ত রয়েছে। যার কারণে আজকের হরতালে জনগণের ভোগান্তি নেই।

হরতালের প্রথম দিনে সোমবার সকাল-সন্ধ্যা, মঙ্গল ও বুধবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত হরতাল পালন করা হবে। এর আগে দুই দফা হরতাল ও অবরোধ পালন করে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি।

গেল ৩০ জুলাই দুপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি আসন কমিয়ে জেলায় তিনটি আসন করার প্রাথমিক প্রস্তাব করা হয়। এরপর থেকেই বাগেরহাটবাসী আন্দোলন শুরু করেন। চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন তারা। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন শুধু সীমানা পরিবর্তন করে তিনটি আসন জারি রেখে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে।

নির্বাচন কমিশনের এই আসন বিন্যাস মানুষের দাবিকে উপেক্ষা করেছে বলে জানান সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা।

চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, বাগেরহাট-১ (বাগেরহাট সদর-চিতলমারী-মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২ (ফকিরহাট-রামপাল-মোংলা) ও বাগেরহাট-৩ (কচুয়া-মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) নির্ধারণ করা হয়। দীর্ঘদিন থেকে ৪টি আসনে নির্বাচন হয়ে আসছিল। তখনকার সীমানা ছিল বাগেরহাট-১ (চিতলমারী-মোল্লাহাট-ফকিরহাট), বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর-কচুয়া), বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা)।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

বাগেরহাটে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, দূরপাল্লা-অভ্যন্তরীণ রুটে যান চলাচল বন্ধ

আপডেট: ১২:২২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাগেরহাটে ৪টি সংসদীয় আসন বহাল রাখার দাবিতে তৃতীয় দফায় তিন দিনের হরতাল শুরু হয়েছে। সোমবার সকালে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে হরতালের সমর্থনে মিছিল করেন। এছাড়া হরতালের সমর্থনে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

সকাল থেকেই বাগেরহাট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লা এবং অভ্যন্তরীণ রুটে কোনো যানবাহন চলাচল করছে না। তবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। মহাসড়ক ও ছোট ছোট সড়কে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও রিকশা চলাচল করছে।

এব্যাপারে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালাম বলেন, জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে আমরা শুধু মহাসড়কে হরতাল পালন করছি। ইজিবাইক, রিকশা, মোটরসাইকেলসহ দুই চাকার সব যান এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হরতালের আওতামুক্ত রয়েছে। যার কারণে আজকের হরতালে জনগণের ভোগান্তি নেই।

হরতালের প্রথম দিনে সোমবার সকাল-সন্ধ্যা, মঙ্গল ও বুধবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত হরতাল পালন করা হবে। এর আগে দুই দফা হরতাল ও অবরোধ পালন করে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি।

গেল ৩০ জুলাই দুপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি আসন কমিয়ে জেলায় তিনটি আসন করার প্রাথমিক প্রস্তাব করা হয়। এরপর থেকেই বাগেরহাটবাসী আন্দোলন শুরু করেন। চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন তারা। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন শুধু সীমানা পরিবর্তন করে তিনটি আসন জারি রেখে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে।

নির্বাচন কমিশনের এই আসন বিন্যাস মানুষের দাবিকে উপেক্ষা করেছে বলে জানান সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা।

চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, বাগেরহাট-১ (বাগেরহাট সদর-চিতলমারী-মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২ (ফকিরহাট-রামপাল-মোংলা) ও বাগেরহাট-৩ (কচুয়া-মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) নির্ধারণ করা হয়। দীর্ঘদিন থেকে ৪টি আসনে নির্বাচন হয়ে আসছিল। তখনকার সীমানা ছিল বাগেরহাট-১ (চিতলমারী-মোল্লাহাট-ফকিরহাট), বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর-কচুয়া), বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা)।

শেয়ার করুন