০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

গাইবান্ধা কারাগারে আ.লীগ নেতার মৃত্যু

ইউএন এ প্রতিনিধি:
  • আপডেট: ০৫:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 71

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক মুন্না (মুন্না চেয়ারম্যান) মারা গেছেন। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধা জেলা কারাগারে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। এদিকে, হঠাৎ তার এ মৃত্যুর ঘটনায় জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

কারা সূত্রে জানা যায়, আজ সকালেই মুন্না চেয়ারম্যান অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনো রহস্য রয়ে গেছে।

অপরদিকে, সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। ইসিজি করে দেখা যায় সে বেঁচে নেই।

পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তাকে একের পর এক মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছিল। অন্যদিকে কারা কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (জেএম শাখা, শিক্ষা শাখা, ট্রেজারী শাখা, তথ্য ও অভিযোগ শাখা এবং সিটিজেন কেয়ার) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ময়নাতদন্ত সম্পন্নের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত প্রায় এক মাস আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেলেও জেলগেট থেকে বের হওয়ার আগেই আরেকটি মামলায় তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে ছিলেন।

শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

গাইবান্ধা কারাগারে আ.লীগ নেতার মৃত্যু

আপডেট: ০৫:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক মুন্না (মুন্না চেয়ারম্যান) মারা গেছেন। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধা জেলা কারাগারে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। এদিকে, হঠাৎ তার এ মৃত্যুর ঘটনায় জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

কারা সূত্রে জানা যায়, আজ সকালেই মুন্না চেয়ারম্যান অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনো রহস্য রয়ে গেছে।

অপরদিকে, সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। ইসিজি করে দেখা যায় সে বেঁচে নেই।

পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তাকে একের পর এক মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছিল। অন্যদিকে কারা কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (জেএম শাখা, শিক্ষা শাখা, ট্রেজারী শাখা, তথ্য ও অভিযোগ শাখা এবং সিটিজেন কেয়ার) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ময়নাতদন্ত সম্পন্নের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত প্রায় এক মাস আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেলেও জেলগেট থেকে বের হওয়ার আগেই আরেকটি মামলায় তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে ছিলেন।

শেয়ার করুন