০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

গাজাগামী শেষ নৌযানটিও ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক

ইউএনএ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৫০:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / 91

গাজায় ত্রাণ নিয়ে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’-র শেষ এবং একমাত্র সক্রিয় নৌযানটিও ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকালে যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি উপকূলের অদূরে ইসরায়েলি কমান্ডোরা বলপূর্বক এই নৌযানটিতে প্রবেশ করে এবং সেটিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।

পোলিশ পতাকাবাহী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র সর্বশেষ সক্রিয় জাহাজ ছিল ‘দ্য ম্যারিনেট’। এই জাহাজে ছয়জন আরোহী ছিলেন, যাদের মধ্যে তুরস্কের অধিকারকর্মী সিনান আকিলতু অন্যতম।

লাইভস্ট্রিম ভিডিওতে দেখা গেছে, ইসরায়েলি বাহিনী জোরপূর্বক নৌযানটির উপর নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করছে।

এর আগে এক ভিডিও বার্তায় যাত্রীরা বলেন, ‘আমরা এখন উচ্চ ঝুঁকির এলাকায় প্রবেশ করেছি। আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা দুটি মহৎ পরিণতির যেকোনো একটির দিকে অগ্রসর হচ্ছি।’

ফ্লোটিলার আয়োজকরা জানিয়েছিলেন, নৌবহরের ৪২টি জাহাজকে অবৈধভাবে আটকানো হয়েছে এবং আরোহীদেরও আটক করা হয়েছে, তবুও ম্যারিনেট পিছু হটছে না। ফ্লোটিলা আয়োজকরা ম্যারিনেটকে ‘ভয়, অবরোধ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দৃঢ়তা’র প্রতীক হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

গাজাগামী শেষ নৌযানটিও ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক

আপডেট: ০২:৫০:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

গাজায় ত্রাণ নিয়ে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’-র শেষ এবং একমাত্র সক্রিয় নৌযানটিও ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকালে যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি উপকূলের অদূরে ইসরায়েলি কমান্ডোরা বলপূর্বক এই নৌযানটিতে প্রবেশ করে এবং সেটিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।

পোলিশ পতাকাবাহী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র সর্বশেষ সক্রিয় জাহাজ ছিল ‘দ্য ম্যারিনেট’। এই জাহাজে ছয়জন আরোহী ছিলেন, যাদের মধ্যে তুরস্কের অধিকারকর্মী সিনান আকিলতু অন্যতম।

লাইভস্ট্রিম ভিডিওতে দেখা গেছে, ইসরায়েলি বাহিনী জোরপূর্বক নৌযানটির উপর নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করছে।

এর আগে এক ভিডিও বার্তায় যাত্রীরা বলেন, ‘আমরা এখন উচ্চ ঝুঁকির এলাকায় প্রবেশ করেছি। আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা দুটি মহৎ পরিণতির যেকোনো একটির দিকে অগ্রসর হচ্ছি।’

ফ্লোটিলার আয়োজকরা জানিয়েছিলেন, নৌবহরের ৪২টি জাহাজকে অবৈধভাবে আটকানো হয়েছে এবং আরোহীদেরও আটক করা হয়েছে, তবুও ম্যারিনেট পিছু হটছে না। ফ্লোটিলা আয়োজকরা ম্যারিনেটকে ‘ভয়, অবরোধ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দৃঢ়তা’র প্রতীক হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন।

শেয়ার করুন