ট্রাম্প নয়, বিশ্বকাপের সব সিদ্ধান্ত নেবে ফিফা

- আপডেট: ০৬:০০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫
- / 110
আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে ২৩তম আসর। তবে টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ানোর আগে থেকে ২০২৬ বিশ্বকাপকে ঘিরে চলছে নানান বিতর্ক। এসবের মধ্যে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’-ক্যালিফোর্নিয়ায় এবং ওয়াশিংটনের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরে কট্টর বামপন্থিদের বিক্ষোভ। বিশ্বকাপ চলাকালীন যা আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যার কারণে গেল সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প বলেছেন, প্রয়োজনে এই দুই শহর থেকে বিশ্বকাপের ভেন্যু সরিয়ে নেওয়া হবে।
বুধবার লন্ডনের ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত থাকা ব্যবসায়ীকদের এক সম্মেলন ফিফার সহ-সভাপতি ভিক্টর মন্টাগলিয়ানি ট্রাম্পের বিশ্বকাপের ভেন্যু সরিয়ে নেওয়ার প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, ফিফার টুর্নামেন্টের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার কেবল মাত্র ফিফাই রাখে। যদিও ভিক্টর মন্টাগলিয়ানি লাতিন আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনকাফাকের প্রেসিডেন্ট।
ভেন্যু পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটি ফিফার টুর্নামেন্ট, এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার কেবল ফিফার। বর্তমান বিশ্বনেতাদের প্রতি যথাযথ সম্মানের সঙ্গেই বলছি ফুটবল তাদের চেয়ে বড়। ফুটবল তাদের শাসনামল, তাদের সরকার ও তাদের রাজনৈতিক স্লোগানের চেয়েও দীর্ঘস্থায়ী।’
অন্যদিকে গোটা ফুটবল বিশ্ব আন্তর্জাতিক কিংবা ক্লাব পর্যায়ের ফুটবল থেকে ইসরাইলকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছে। সম্মেলনে এই নিয়ে ফিফার সহ-সভাপতি বলেন, ‘এটি মূলত উয়েফার এখতিয়ার। ইসরাইল তাদের সদস্য দেশ, তাই সিদ্ধান্ত তাদের ওপর নির্ভর করছে। আমি কেবল প্রক্রিয়া নয়, তারা যা-ই সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাইকে সম্মান করবো। ফিফার অনেক কিছু সামলাতে হয়, কিন্তু প্রতিটি কনফেডারেশনের নিজস্ব এভিয়ার আছে এবং সেটিকে আমরা সম্মান করি।’
এছাড়াও ফুটবল বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষ্যে ২০৩০ বিশ্বকাপ ৬৪ দল নিয়ে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে লাতিন ফুটবলের একাধিক দল। তাদের এই প্রস্তাবের সরাসরি বিরোধিতা করেছেন ভিক্টর মন্টাগলিয়ানি। ফুটবল বিশ্বকাপের বদলে ক্লাব বিশ্বকাপ বড় পরিসরে আয়োজনের পক্ষে তিনি। বলেন, ‘আমি ৬৪ দল নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের কোনো যৌক্তিকতা দেখি না। শুধু আমরাই নই, উয়েফা ও এশিয়ান কনফেডারেশনও এর বিরোধিতা করছে। ক্লাব বিশ্বকাপ প্রমাণ করেছে, এটি বিরাট সাফল্য। আমাদের এখন কাজ করতে হবে কীভাবে এটিকে আরও উন্নত করা যায়, প্রতিটি দেশকে সঠিক সংখ্যক দল বরাদ্দ দেওয়া যায় এবং টুর্নামেন্টের মান বজায় রাখা যায়।’












