জামালপুরের বন্দরৌহা ব্রীজের উপর ঝুঁকি নিয়ে চলছে দুই উপজেলার মানুষ

- আপডেট: ০৮:৩৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
- / 126

ছবি: জামালপুরের বন্দরৌহা ব্রীজের কাঠের এপ্রোচের উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে দুই উপজেলার মানুষ / ইউএনএ
জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের শাহীন বাজারের পাশে বন্দরোহা নদীর উপর নির্মিত কংক্রীটের ব্রীজটির পশ্চিম অংশে কাঠের তৈরি পুরনো এপ্রোচ মারাত্নক ঝুকিপূর্ণ। এই ঝুকিপূর্ণ এপ্রোচের উপর দিয়ে মেলান্লদহ -মাদারগঞ্জ উপজেলা দুটির লক্ষাধিক মানুষ ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে বিভিন্ন প্রকার যানবাহনে। এতে যেকোন মূহুর্তে ওই কাঠের তৈরি পুরনো এপ্রোচটি ভেঙ্গে বড় ধরণের দূর্ঘটনার আশঙ্কা বিরাজ করলেও আজও কেউ কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের বন্দরৌহা গ্রামের শাহীন বাজারের পাশ দিয়ে প্রবাহিত যমুনার মাদারদহ শাখা নদীর একটি উপশাখা বন্দরোহা নদী।বন্দরৌহা নদীর উপর নির্মিত হয়েছিলো বন্দরৌহা ব্রিজ। এই ব্রিজটির উপর দিয়ে চলাচল করে মেলান্দহ -মাদারগঞ্জসহ দুইটি উপজেলার মানুষ। বিগত ২০২৪ সালে বন্যার প্রবল স্রোতে বন্দরোহা ব্রিজটির পশ্চিম পাশের এপ্রোচ ভেঙে যায়। তখন মেলান্নাংদহের নাংলা ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কিসমত পাশা বন্দরৌহা ব্রিজের ভেঙে যাওয়া এপ্রোচটিতে কাঠের পাটাতন লাগিয়ে কোন রকমে রাস্তাসহ ব্রিজটি সচল করে দেন। তখন থেকেই মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ উপজেলা দুটির লক্ষাধিক মানুষ ঝুকি নিয়েই অটোরিকশা, ইজিবাইক, ভ্যান, রিকশা, মোটরসাইকেল, সিএনজি, ঘোড়ার গাড়ি ও বাইসাইকেলসহ নানান ধরনের যানবাহনে চলাচল করছেন। বর্তমানে সেই কাঠের তৈরি এপ্রোচটি একেবারে ভেঙে যাওয়ায় সেটা যেন মানুষের মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে।
এ ব্যাপারে মেলান্দহের নাংলা ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কিসমত পাশা বলেন, বিগত বছরের বন্যায় শাহীন বাজার সংলগ্ন ব্রিজের এপ্রোচ ভেঙে যাওয়ায় সেখানে কাঠের পাটাতন দিয়ে রাস্তাটি সচল করা হয়েছে। তবে ছোট ছোট যানবাহনে মানুষ পারাপার হলেও সকল প্রকার ভারি যানবাহন চলতে পারেনা। এপ্রোচটি পূন:মেরামতের জন্য জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ও এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।









