০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

নিষেধাজ্ঞা শেষ, আজ থেকে বাজারে মিলবে ইলিশ

ইউএন এ প্রতিনিধি:
  • আপডেট: ০১:০০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 102

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা-ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা গতকাল শনিবার মধ্যরাতে (রাত ১২টায়) শেষ হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে মাছ ধরতে নেমেছেন হাজারো জেলে। এছাড়া, আজ রবিবার থেকে বাজারে ইলিশ পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এর আগে গত ৪ অক্টোবর থেকে ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। এবার আশ্বিনী পূর্ণিমার আগের চার দিন এবং অমাবস্যার পরের তিন দিনকে অন্তর্ভুক্ত করে মোট ২২ দিন মা-ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বাংলাদেশ মত্স্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা, বিশেষ করে মত্স্যজীবীদের মতামত অনুযায়ী এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। প্রজনন মৌসুমের পূর্ণিমা ও অমাবস্যা উভয় সময়ই ডিম পাড়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দুটি পর্যায় অন্তর্ভুক্ত করে সর্বোচ্চ প্রজনন নিশ্চিত করা হয়।

বাংলাদেশ মত্স্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৪ সালের নিষেধাজ্ঞার ফলে ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ মা-ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়ার সুযোগ পায়। এর ফলে ৪৪ দশমিক ২৫ হাজার কোটি জাটকা বা রেণু ইলিশ পরিবারে যুক্ত হয়। এই ডিম থেকে উত্পন্ন রেণু বা পোনা (জাটকা) ভবিষ্যতে পরিপক্ব ইলিশে পরিণত হবে। মত্স্য বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, এবার ইলিশ ধরা বন্ধের সময় কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ফলে ইলিশ উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

 

শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

নিষেধাজ্ঞা শেষ, আজ থেকে বাজারে মিলবে ইলিশ

আপডেট: ০১:০০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা-ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা গতকাল শনিবার মধ্যরাতে (রাত ১২টায়) শেষ হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে মাছ ধরতে নেমেছেন হাজারো জেলে। এছাড়া, আজ রবিবার থেকে বাজারে ইলিশ পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এর আগে গত ৪ অক্টোবর থেকে ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। এবার আশ্বিনী পূর্ণিমার আগের চার দিন এবং অমাবস্যার পরের তিন দিনকে অন্তর্ভুক্ত করে মোট ২২ দিন মা-ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বাংলাদেশ মত্স্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা, বিশেষ করে মত্স্যজীবীদের মতামত অনুযায়ী এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। প্রজনন মৌসুমের পূর্ণিমা ও অমাবস্যা উভয় সময়ই ডিম পাড়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দুটি পর্যায় অন্তর্ভুক্ত করে সর্বোচ্চ প্রজনন নিশ্চিত করা হয়।

বাংলাদেশ মত্স্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৪ সালের নিষেধাজ্ঞার ফলে ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ মা-ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়ার সুযোগ পায়। এর ফলে ৪৪ দশমিক ২৫ হাজার কোটি জাটকা বা রেণু ইলিশ পরিবারে যুক্ত হয়। এই ডিম থেকে উত্পন্ন রেণু বা পোনা (জাটকা) ভবিষ্যতে পরিপক্ব ইলিশে পরিণত হবে। মত্স্য বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, এবার ইলিশ ধরা বন্ধের সময় কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ফলে ইলিশ উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

 

শেয়ার করুন