জামালপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে এএসএম আব্দুল হালিম

- আপডেট: ০১:০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
- / 871
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক তৎপরতা দেখা দিয়েছে। মাঠপর্যায়ে প্রচারণা, ব্যানার-ফেস্টুন ও লিফলেট বিতরণে সরব রয়েছেন অন্তত চারজন সম্ভাব্য প্রার্থী। এর মধ্যে মেধা, সততা, যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এএসএম আব্দুল হালিম।
সরেজমিন ঘুুরে জানাগেছে, জামালপুর-২ ইসলামপুর আসনে বিএনপির সম্ভাব্য চারজন এমপি প্রার্থীর মধ্যে এএসএম আব্দুল হালিম, সুলতান মাহমুদ বাবু, শরিফুল ইসলাম খান ফরহাদ ও এডভোকেট সেলিম মিয়া ছবি সংযুক্ত ব্যানার পোষ্টার ও লিফলেটে সয়লাব হয়ে গেছে ইসলামপুরের বিভিন্ন হাটবাজার দোকান পাট ও জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকা সমূহ।
বিএনপির এসব প্রার্থীর সমর্থক নেতাকর্মীরা তাদের প্রিয় নেতার জীবন বৃত্তান্ত ও আগাম নির্বাচনী অঙ্গীকার পত্রের লিফলেট হাতে নিয়ে বাড়ী বাড়ী ঘুরছেন। তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসুচীর লিফলেটও হাতে নিয়ে প্রচারনা চালাতে খন্ড খন্ড দলে বিভক্ত হয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চষে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের বাড়ী বাড়ী। এসব নেতা কর্মীরা প্রত্যেই স্বস্ব পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে ছালাম জানিয়ে ধানের শীষ প্রতীকের ভোট প্রার্থনায় মহাব্যাস্ত সময় পার করছেন। এতে ভোটের মাঠে উজ্জীবিত বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক প্রচারণায় এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপি।
এদিকে বিএনপির সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী সাবেক কেবিনেট সচিব আব্দুল হালিম ও সাবেক এমপি সুলতান মাহমুদ বাবুর সমর্থক শীর্ষ নেতারা তাদের পছন্দের প্রার্থীর দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে দলীয় অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত রয়েছেন। তারা পৃথক মাঠে পৃথক ভাবে স্বস্ব গ্রুপের পক্ষে ব্যাপক গণজমায়েতের মাধ্যমে ঘনঘন সভা সমাবেশ এবং দলের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতাদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে স্বস্ব প্রার্থীর জন্য লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।
অপরদিকে ইসলামপুরের বিভিন্ন এলাকায় সভা সমাবেশ করে তেমন কোন সাড়া না পেলেও দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায়ের লবিংয়ে পিছিয়ে নেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের ছোট ভাই শরিফুল ইসলাম খান ফরহাদ। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে বিএনপির সম্তাব্য তরুণ প্রার্থী এডভোকেট সেলিম মিয়া এলাকায় ব্যাপক পরিমান ব্যানার, পোষ্টার ও ফেস্টুন লাগিয়ে দলীয় মনোনয়ন পেতে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। অপরদিকে ফ্যাসিস্ট সরকার আমলের ব্যাপক পরিচিত মুখ বঙ্গলীগের সভাপতি সওকত হাসান মিয়া ইসলামপুর উন্নয়ন কমিটির ব্যানারে স্থানীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনয়ন প্রাপ্তির আশায় সর্বত্র ব্যানার পোষ্টার লাগিয়েছেন। সেই সাথে তিনি ইসলামপুরের বিভিন্ন এলাকায় আগাম নির্বাচনী গণসংযোগ করাসহ কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিএনপির মনোনয়ন প্রাপ্তির জন্য লবিং করছেন।
ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতা নবী নেওয়াজ খান লোহানী বিপুল, জয়নাল আবেদীন সরকার, আউয়াল খান লোহানী, জিয়াউর রহমান সনেট, ওয়ারেছ আলী, রুহুল আজম লুলু, আজিজুর রহমান চৌধুরী, আব্দুর রউফ দানু, মনিরুল করিম, কামরুল হুদা পাহলোয়ান স্ট্যালিন, একরামুল করিম সুমন, ও ফজলুল করিম ফেক্কু, এনামুল করিম ডেবিট ও মনির খান লোহানীর সাথে কথা বলে জানাগেছে, জামালপুর-২ ইসলামপুর আসনের সুযোগ্য সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ও ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সাবেক কেবিনেট সচিব এএসএম আব্দুল হালিম। তিনি বিগত দিনে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকার সুবাদে অত্যান্ত সততার সাথে এলাকার অসংখ্য শিক্ষিত বেকার যুবকদের চাকুরী ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যবস্থা করেছেন। তিনি অত্যান্ত সততা দক্ষতা ও ন্যায়পরায়নতার সাথেই ইসলামপুরের নদী ভাঙ্গন রোধ, রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট নির্মাণ ও স্কুল কলেজ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও সার্বিক উন্নয়নসহ ইসলামপুরের অসংখ্য মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা সহ নানা সমস্যা সমাধানে টানা চল্লিশ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। তারই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সম্প্রতি ইলামপুরের সাপধরী ইউনিয়নের কাশারীডোবা, নোয়ারপাড়ার উলিয়া, হাড়গিলা, কাঠমা, চিনাডুলির বামনা, শিংভাঙ্গা ও গাইবান্ধার চন্দনপুর এলাকায় নদীভাঙ্গন প্রতিরোধে উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। সদাহাস্যজ্জোল নেতা আব্দুল হালিম দলীয় নেতা কর্মীদের অত্যান্ত ভালবাসেন এবং কারো আপদ বিপদের কথা শুনলেই ছুটে যান, খোঁজ খবর নেন ও সহযোগীতা করেন।
অপরদিকে বিএনপির অপর সম্ভাব্য প্রার্থী ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু বিগতদিনে এমপি থাকাকালে তার আশীর্বাদপুষ্ট আত্নীয় স্বজনদের সহযগোগীতায় ইসলামপুরের পূর্বাঞ্চলের চারটি ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, ব্রীজ কালভার্ট ও স্কুল কলেজের ব্যাপক উন্নয়ন করলেও ইসলামপুর সদর ইউনিয়ন সহ ইসলামপুরের পশ্চিমাঞ্চলের ছয়টি ইউনিয়নের উন্নয়নে যথেষ্ট অমনযোগী ছিলেন। এছাড়াও তিনি এমপি থাকা কালে বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসায় কমিটি গঠন ও নিয়োগের ক্ষেত্রে সিমাহীন ক্ষমতার অপব্যাবহার করেছেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে দূর্ব্যাবহার করেছেন।
সর্বোপরি মনোনয়ন প্রাপ্তির সম্ভাব্যতার দৌড়ে মেধা, যোগ্যতা, সততা ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব জননেতা এএসএম আব্দুল হালিম।।










