পাখির খাদ্যের আড়ালে পাকিস্তান থেকে এল মাদক

- আপডেট: ০৫:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
- / 63
পাকিস্তান থেকে আসা দুইটি কনটেইনারে পাখির খাদ্যের পরিবর্তে আমদানি–নিষিদ্ধ পপি বীজ পেয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস। যা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী ‘ক’ শ্রেণির মাদক হিসেবে গণ্য। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চট্টগ্রামের কোরবানিগঞ্জের মেসার্স আদিব ট্রেডিং নামে একটি প্রতিষ্ঠান ৩২ টন পাখির খাদ্য আমদানির ঘোষণা দিয়ে চালানটি আনে। গত ৯ অক্টোবর কনটেইনার দুটি চট্টগ্রাম বন্দরে নামানো হয় এবং পরে তা খালাসের জন্য ছাবের আহম্মেদ টিম্বার কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি বেসরকারি ডিপোতে নেওয়া হয়।
তবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস কর্মকর্তারা খালাস স্থগিত করে ২২ অক্টোবর কনটেইনার দুটি খোলেন। পরীক্ষার জন্য নমুনা তিনটি পরীক্ষাগারে পাঠানো হলে দেখা যায়, ঘোষণার বিপরীতে সেখানে ৭ টন পাখির খাদ্য ও ২৫ টন পপি বীজ রয়েছে।
পণ্য গোপনের জন্য পাকিস্তানে বোঝাইয়ের সময় কনটেইনারের দরজার সামনে পাখির খাদ্যের বস্তা এবং ভেতরের দিকে পপি বীজ রাখা হয় বলে কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে।
কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, পপি বীজ অঙ্কুরোদ্গম উপযোগী হলে তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী ‘ক’ শ্রেণির মাদক হিসেবে গণ্য হয়। এছাড়া আমদানি নীতি আদেশ অনুযায়ী পপি বীজ আমদানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের উপকমিশনার এইচ এম কবির জানান, জব্দ করা পপি বীজের বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বিষয়টি তদন্তাধীন এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।










