০৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নাসার ৮০০ কোটি টাকার জমি ৪০০ কোটিতে বিক্রির ছক

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৫৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 19

সাম্প্রতিক সময়ে নাসা গ্রুপের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমি সম্পদ বিক্রি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রতিষ্ঠানটির উচ্চপর্যায়ের কিছু ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমিশন ও আর্থিক সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে এই ভূমি বিক্রির উদ্যোগ নিচ্ছেন। বিশেষভাবে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—এই জমিগুলো বর্তমান বাজারমূল্যের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম দামে বিক্রির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এতে করে জমির প্রকৃত মূল্য আড়াল করে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের সুযোগ পেতে পারে। এমন অনৈতিক প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট ঋণদাতা ব্যাংক জমির ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হবে এবং নাসা গ্রুপের ঋণ পরিশোধ সক্ষমতাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।

একদিকে ব্যাংক তার ঋণ সুরক্ষার বাস্তব ভিত্তি হারাবে, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানটি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে আরও গভীর সংকটে নিমজ্জিত হবে। ফলে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবে উভয় পক্ষই—ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতা—যার প্রভাব পড়বে সামগ্রিক আর্থিক খাত ও বিনিয়োগ পরিবেশের ওপর। এমন প্রেক্ষাপটে স্পষ্টভাবে বলা যায়, কোনো স্বার্থান্বেষী বা সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর হাতে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বিক্রির দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বরং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের উচিত আইনসম্মত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় সম্পদের মূল্যায়ন ও বিক্রয় প্রক্রিয়া নিজ দায়িত্বে পরিচালনা করা, যাতে প্রকৃত বাজারমূল্য নিশ্চিত হয় এবং জনস্বার্থ ও আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা পায়। এই ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

নাসার ৮০০ কোটি টাকার জমি ৪০০ কোটিতে বিক্রির ছক

আপডেট: ০৯:৫৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে নাসা গ্রুপের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমি সম্পদ বিক্রি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রতিষ্ঠানটির উচ্চপর্যায়ের কিছু ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমিশন ও আর্থিক সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে এই ভূমি বিক্রির উদ্যোগ নিচ্ছেন। বিশেষভাবে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—এই জমিগুলো বর্তমান বাজারমূল্যের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম দামে বিক্রির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এতে করে জমির প্রকৃত মূল্য আড়াল করে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের সুযোগ পেতে পারে। এমন অনৈতিক প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট ঋণদাতা ব্যাংক জমির ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হবে এবং নাসা গ্রুপের ঋণ পরিশোধ সক্ষমতাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।

একদিকে ব্যাংক তার ঋণ সুরক্ষার বাস্তব ভিত্তি হারাবে, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানটি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে আরও গভীর সংকটে নিমজ্জিত হবে। ফলে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবে উভয় পক্ষই—ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতা—যার প্রভাব পড়বে সামগ্রিক আর্থিক খাত ও বিনিয়োগ পরিবেশের ওপর। এমন প্রেক্ষাপটে স্পষ্টভাবে বলা যায়, কোনো স্বার্থান্বেষী বা সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর হাতে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বিক্রির দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বরং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের উচিত আইনসম্মত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় সম্পদের মূল্যায়ন ও বিক্রয় প্রক্রিয়া নিজ দায়িত্বে পরিচালনা করা, যাতে প্রকৃত বাজারমূল্য নিশ্চিত হয় এবং জনস্বার্থ ও আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা পায়। এই ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

শেয়ার করুন