আলোচনায় বসছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র

- আপডেট: ০৮:০৫:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 2
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। আগামী শুক্রবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) তুরস্কের ইস্তাম্বুলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনের বরাতে জানানো হয়, আলোচনায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ অংশ নেবেন। পাশাপাশি কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশরের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন।
প্রতিবেদনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অজ্ঞাতনামা কর্মকর্তা ও কূটনীতিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়, এই আলোচনাকে পারমাণবিক ইস্যুতে অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর দুই দিন আগে ইরানের নিরাপত্তা বিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা আলি লারিজানি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনা একটি কাঠামোর দিকে এগোচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত গুঞ্জন নাকচ করে দেন।
লারিজানির বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। তবে রয়টার্সের প্রতিবেদনের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানি কর্মকর্তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসও একই ধরনের প্রতিবেদনে জানায়, ইস্তাম্বুলে আব্বাস আরাগচি ও স্টিভ উইটকফের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এর মধ্যেই আলোচনার এই উদ্যোগকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এর আগে তেহরান সতর্ক করে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সামান্যতম সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তার জবাব হবে কঠোর। রোববার ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়িও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানে হামলা চালানো হলে তা একটি আঞ্চলিক যুদ্ধের সূচনা করবে।








