০১:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বেড়েছে বিদেশি ঋণের ছাড় ও প্রতিশ্রুতি

ইউএন এ প্রতিনিধি:
  • আপডেট: ১২:০৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 52

চলতি অর্থবছরের দুই মাসে বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশের পক্ষ থেকে বেশ ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে ১২ গুণ। পুরোনো প্রতিশ্রুত ঋণের অর্থ ছাড়ও বেড়েছে প্রায় ৬৪ শতাংশ। মাত্র এক মাস আগেও পরিস্থিতি ছিল একেবারেই বিপরীতমুখী। তখন অর্থ ছাড় কম ছিল আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ শতাংশের মতো। অবশ্য তখন থেকেই প্রতিশ্রুতি কিছুটা বাড়তে শুরু করে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, গত জুলাই ও আগস্ট– এই দুই মাসে ২৪ কোটি ৩৮ লাখ ডলারের ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। এর পুরোটাই প্রকল্প সহায়তা। গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রতিশ্রুতি ছিল মাত্র দুই কোটি ডলারের। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে প্রায় ২৩ কোটি ২৬ লাখ ডলারের ঋণের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। আর অনুদানের প্রতিশ্রুতি এসেছে এক কোটি ১২ লাখ ডলারের মতো। গত অর্থবছরের এই সময়ে কোনো অনুদানের প্রতিশ্রুতি ছিল না। অন্যদিকে অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে দেখা যায়, গত দুই মাসে উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থ ছাড় হয়েছে ৭৫ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৪৬ কোটি ডলারের কিছু কম।

গতকাল রোববার ইআরডির ওয়েবসাইটে বিদশি সহায়তা-সংক্রান্ত প্রতিবেদটি প্রকাশ করা হয়। ইআরডির তথ্য-উপাত্ত বলছে, গত দুই মাসে বিদেশি ঋণের সুদ এবং আসল মিলে পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে আট কোটি ডলারেরও বেশি। বিদেশি ঋণের সুদাসল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৬৭ কোটি ডলারের মতো। গত অর্থবছরের একই
সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৫৯ কোটি ডলারের কিছু কম।

গত দুই মাসে মোট পরিশোধের মধ্যে মূল ঋণ ৪৯ কোটি ডলার। আর সুদ ১৮ কোটি ডলারের মতো। দেশীয় মুদ্রায় গত দুই মাসে সুদাসল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে আট হাজার ১৩১ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ছয় হাজার ৯৬৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত দুই মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে এক হাজার ১৬৬ কোটি টাকা।

শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

বেড়েছে বিদেশি ঋণের ছাড় ও প্রতিশ্রুতি

আপডেট: ১২:০৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চলতি অর্থবছরের দুই মাসে বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশের পক্ষ থেকে বেশ ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে ১২ গুণ। পুরোনো প্রতিশ্রুত ঋণের অর্থ ছাড়ও বেড়েছে প্রায় ৬৪ শতাংশ। মাত্র এক মাস আগেও পরিস্থিতি ছিল একেবারেই বিপরীতমুখী। তখন অর্থ ছাড় কম ছিল আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ শতাংশের মতো। অবশ্য তখন থেকেই প্রতিশ্রুতি কিছুটা বাড়তে শুরু করে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, গত জুলাই ও আগস্ট– এই দুই মাসে ২৪ কোটি ৩৮ লাখ ডলারের ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। এর পুরোটাই প্রকল্প সহায়তা। গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রতিশ্রুতি ছিল মাত্র দুই কোটি ডলারের। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে প্রায় ২৩ কোটি ২৬ লাখ ডলারের ঋণের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। আর অনুদানের প্রতিশ্রুতি এসেছে এক কোটি ১২ লাখ ডলারের মতো। গত অর্থবছরের এই সময়ে কোনো অনুদানের প্রতিশ্রুতি ছিল না। অন্যদিকে অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে দেখা যায়, গত দুই মাসে উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থ ছাড় হয়েছে ৭৫ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৪৬ কোটি ডলারের কিছু কম।

গতকাল রোববার ইআরডির ওয়েবসাইটে বিদশি সহায়তা-সংক্রান্ত প্রতিবেদটি প্রকাশ করা হয়। ইআরডির তথ্য-উপাত্ত বলছে, গত দুই মাসে বিদেশি ঋণের সুদ এবং আসল মিলে পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে আট কোটি ডলারেরও বেশি। বিদেশি ঋণের সুদাসল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৬৭ কোটি ডলারের মতো। গত অর্থবছরের একই
সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৫৯ কোটি ডলারের কিছু কম।

গত দুই মাসে মোট পরিশোধের মধ্যে মূল ঋণ ৪৯ কোটি ডলার। আর সুদ ১৮ কোটি ডলারের মতো। দেশীয় মুদ্রায় গত দুই মাসে সুদাসল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে আট হাজার ১৩১ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ছয় হাজার ৯৬৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত দুই মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে এক হাজার ১৬৬ কোটি টাকা।

শেয়ার করুন