০৯:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের পোস্ট

ইউএন এ প্রতিনিধি:
  • আপডেট: ০৩:৩০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / 39

ছবি: ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের পোস্ট

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে ১৫ জন কর্মরত সেনা কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

বুধবার (২২ অক্টোবর) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সাউথ এশিয়া নামক ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই কার্যক্রমকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

এই ঘটনাকে জবাবদিহি এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এটি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সামরিক বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার ঘটনা।

এক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, বিচার প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড সম্পূর্ণরূপে মেনে চলা অপরিহার্য। এর মধ্যে সুষ্ঠু বিচার এবং যথাযথ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা, বেসামরিক আদালতে বিচার সম্পন্ন করা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড থেকে বিরত থাকা অন্তর্ভুক্ত।

গত ৮ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের ৩টি পৃথক মামলায় ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর দুই দিন পর ১১ অক্টোবর সেনাবাহিনী এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, কর্মরত ১৫ জন কর্মকর্তাকে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার এসব কর্মকর্তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। পরে ওই ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের পোস্ট

আপডেট: ০৩:৩০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে ১৫ জন কর্মরত সেনা কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

বুধবার (২২ অক্টোবর) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সাউথ এশিয়া নামক ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই কার্যক্রমকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

এই ঘটনাকে জবাবদিহি এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এটি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সামরিক বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার ঘটনা।

এক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, বিচার প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড সম্পূর্ণরূপে মেনে চলা অপরিহার্য। এর মধ্যে সুষ্ঠু বিচার এবং যথাযথ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা, বেসামরিক আদালতে বিচার সম্পন্ন করা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড থেকে বিরত থাকা অন্তর্ভুক্ত।

গত ৮ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের ৩টি পৃথক মামলায় ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর দুই দিন পর ১১ অক্টোবর সেনাবাহিনী এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, কর্মরত ১৫ জন কর্মকর্তাকে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার এসব কর্মকর্তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। পরে ওই ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

শেয়ার করুন