০৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিলেন বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমির

বদরুদ্দোজা প্রধান, পঞ্চগড় প্রতিনিধি
  • আপডেট: ০৭:৫৯:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 24

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার প্রেরিত কারণ দর্শানোর নোটিশের লিখিত জবাব দিয়েছেন পঞ্চগড়–১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ নওশাদ জমির।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে তার নির্বাচনী এজেন্ট ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওফল আরশাদ জমির লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেন। এ বিষয়ে একই দিন বিকেলে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ প্রার্থীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ বাস্তবতা ও প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কোনভাবেই বিএনপি প্রার্থীর মাধ্যমে আইন, বিধি কিংবা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা লঙ্ঘিত হয়নি। বরং তিনি সর্বদা প্রচলিত আইন ও নির্বাচন কমিশনের বিধিবিধান অনুসরণ করেছেন। তার কোনো কার্যক্রম অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা বেআইনি ছিল না। নোটিশে উল্লিখিত অভিযোগসমূহ ভুল বোঝাবুঝি ও অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে আনা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, অভিযানের সময় কর্মীদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেখানে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই—কোন বিধিমালা কীভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। নোটিশে বিএনপি প্রার্থীর ফেস্টুন অপসারণের কথা উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো ফেস্টুন ব্যবহার করা হয়নি। যেসব প্রচারসামগ্রীকে ফেস্টুন বলা হয়েছে, সেগুলো প্রকৃতপক্ষে ব্যানার। ফেস্টুন ও ব্যানারের মধ্যে পার্থক্য যথাযথভাবে অনুধাবন করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উল্লেখ করা হয়, জনৈক মো. সাহেব আলী গত ২২ জানুয়ারি রাত ১০টা ১১ মিনিটে রিটার্নিং অফিসারের দপ্তরের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে এবং ২৩ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টায় স্বশরীরে ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের বিরুদ্ধে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগটি আমলে নেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট জোট প্রার্থীর বিরুদ্ধে সময়মতো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ওইদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ১০ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামীর জনসভা অনুষ্ঠিত হয় এবং রাত পর্যন্ত তোরণগুলো অক্ষত ছিল বলেও দাবি করা হয়।সবশেষে লিখিত ব্যাখ্যা ও সংযুক্ত প্রমাণাদি বিবেচনায় এনে আনীত অভিযোগসমূহ থেকে বিএনপি প্রার্থীকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, পৌর বিএনপির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন রণিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা।

 

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিলেন বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমির

আপডেট: ০৭:৫৯:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার প্রেরিত কারণ দর্শানোর নোটিশের লিখিত জবাব দিয়েছেন পঞ্চগড়–১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ নওশাদ জমির।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে তার নির্বাচনী এজেন্ট ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওফল আরশাদ জমির লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেন। এ বিষয়ে একই দিন বিকেলে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ প্রার্থীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ বাস্তবতা ও প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কোনভাবেই বিএনপি প্রার্থীর মাধ্যমে আইন, বিধি কিংবা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা লঙ্ঘিত হয়নি। বরং তিনি সর্বদা প্রচলিত আইন ও নির্বাচন কমিশনের বিধিবিধান অনুসরণ করেছেন। তার কোনো কার্যক্রম অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা বেআইনি ছিল না। নোটিশে উল্লিখিত অভিযোগসমূহ ভুল বোঝাবুঝি ও অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে আনা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, অভিযানের সময় কর্মীদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেখানে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই—কোন বিধিমালা কীভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। নোটিশে বিএনপি প্রার্থীর ফেস্টুন অপসারণের কথা উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো ফেস্টুন ব্যবহার করা হয়নি। যেসব প্রচারসামগ্রীকে ফেস্টুন বলা হয়েছে, সেগুলো প্রকৃতপক্ষে ব্যানার। ফেস্টুন ও ব্যানারের মধ্যে পার্থক্য যথাযথভাবে অনুধাবন করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উল্লেখ করা হয়, জনৈক মো. সাহেব আলী গত ২২ জানুয়ারি রাত ১০টা ১১ মিনিটে রিটার্নিং অফিসারের দপ্তরের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে এবং ২৩ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টায় স্বশরীরে ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের বিরুদ্ধে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগটি আমলে নেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট জোট প্রার্থীর বিরুদ্ধে সময়মতো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ওইদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ১০ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামীর জনসভা অনুষ্ঠিত হয় এবং রাত পর্যন্ত তোরণগুলো অক্ষত ছিল বলেও দাবি করা হয়।সবশেষে লিখিত ব্যাখ্যা ও সংযুক্ত প্রমাণাদি বিবেচনায় এনে আনীত অভিযোগসমূহ থেকে বিএনপি প্রার্থীকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, পৌর বিএনপির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন রণিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা।

 

শেয়ার করুন