১১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেটে বন্যার আশঙ্কা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট: ০৭:১১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 61

ইউএনএ ডেস্ক: উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণে সিলেটে নদ-নদীর পানি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমা ছাড়িয়েছে। উজানে এমন ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে সিলেটের সুরমা-কুশিয়ারা তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলে বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেট অফিস জানায়, মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার ও কুশিয়ারার পানি আমলসীদ পয়েন্টে ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। সকাল থেকে পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় সিলেটের সবকটি নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে সুরমার পানি কানাইঘাট পয়েন্টে ৮২ সেন্টিমিটার, সিলেট পয়েন্টে ৩৩ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারার পানি আমলসীদে ৬৮ সেন্টিমিটার, শেওলায় ৫১ সেন্টিমিটার, ফেঞ্চুগঞ্জে ২১ সেন্টিমিটার, শেরপুরে ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রনজন দাস ইত্তেফাককে জানান, ‘কুশিয়ারার পানি বৃদ্ধির ফলে ইছাপুর এলাকার অবস্থা কিছুটা খারাপের দিকে। তবে আশা করছি আগামীকাল বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

দুপুরের পরে জকিগনজে রোদ দেখা দেওয়ায় বড় ধরনের কোন বন্যা হবেনা বলে আশা করেন তিনি।

এদিকে, বারোঠাকুরী এলাকা পরিদর্শনে দেখা যায় সেখান সুরমার পানি বাড়ছে। তবে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ উঁচু থাকায় মানুষ কিছুটা নিশ্চিত। অন্যদিকে অমলসিদ পয়েন্টে বরাক নদীর পানি তীব্র গতিতে নামছে। বরাকের প্রায় ৭০ ভাগ পানি কুশিয়ারায় ও প্রায় ৩০ ভাগ সুরমায় প্রবাহিত হয়।

এদিকে সিলেটের প্রধানতম নদী সুরমা ও কুশিয়ারায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ভাটির দিকে বন্যার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

এর আগে, ২০২২ ও ২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ এখনো অনেক স্থানে যথাযথভাবে মেরামত হয়নি। ফলে বৃষ্টিপাত ও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বাঁধ ভেঙে বন্যার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজন।

শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

সিলেটে বন্যার আশঙ্কা

আপডেট: ০৭:১১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইউএনএ ডেস্ক: উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণে সিলেটে নদ-নদীর পানি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমা ছাড়িয়েছে। উজানে এমন ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে সিলেটের সুরমা-কুশিয়ারা তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলে বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেট অফিস জানায়, মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার ও কুশিয়ারার পানি আমলসীদ পয়েন্টে ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। সকাল থেকে পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় সিলেটের সবকটি নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে সুরমার পানি কানাইঘাট পয়েন্টে ৮২ সেন্টিমিটার, সিলেট পয়েন্টে ৩৩ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারার পানি আমলসীদে ৬৮ সেন্টিমিটার, শেওলায় ৫১ সেন্টিমিটার, ফেঞ্চুগঞ্জে ২১ সেন্টিমিটার, শেরপুরে ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রনজন দাস ইত্তেফাককে জানান, ‘কুশিয়ারার পানি বৃদ্ধির ফলে ইছাপুর এলাকার অবস্থা কিছুটা খারাপের দিকে। তবে আশা করছি আগামীকাল বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

দুপুরের পরে জকিগনজে রোদ দেখা দেওয়ায় বড় ধরনের কোন বন্যা হবেনা বলে আশা করেন তিনি।

এদিকে, বারোঠাকুরী এলাকা পরিদর্শনে দেখা যায় সেখান সুরমার পানি বাড়ছে। তবে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ উঁচু থাকায় মানুষ কিছুটা নিশ্চিত। অন্যদিকে অমলসিদ পয়েন্টে বরাক নদীর পানি তীব্র গতিতে নামছে। বরাকের প্রায় ৭০ ভাগ পানি কুশিয়ারায় ও প্রায় ৩০ ভাগ সুরমায় প্রবাহিত হয়।

এদিকে সিলেটের প্রধানতম নদী সুরমা ও কুশিয়ারায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ভাটির দিকে বন্যার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

এর আগে, ২০২২ ও ২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ এখনো অনেক স্থানে যথাযথভাবে মেরামত হয়নি। ফলে বৃষ্টিপাত ও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বাঁধ ভেঙে বন্যার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজন।

শেয়ার করুন