১১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বৃষ্টিতে সড়ক ধসে গর্ত

ইউএন এ প্রতিনিধি:
  • আপডেট: ০২:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 52

টানা বর্ষণে সুন্দরগঞ্জের মওলানা ভাসানী সেতুর সংযোগ সড়ক-সংলগ্ন বেলকা কদমতলী এলাকায় বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া ১৫ কিলোমিটারের ওই সড়কে কমপক্ষে ৩০টি স্থানে ছোট-বড় গর্ত রয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে পথচারী ও যানবাহন। যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এলজিইডি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানার পরও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার ভারী বর্ষণে পানির তোড়ে কদমতলী এলাকার সড়কে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক বালুর বস্তা দিয়ে পানি নেমে যাওয়ার পথ বন্ধ করে দেয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ব্যস্ততম এই রুটে প্রতিদিন পূর্বাঞ্চল হরিপুর, কঞ্চিবাড়ী, শান্তিরাম, চণ্ডিপুর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা যাতায়াত করে। মেরামতের কোনো ব্যবস্থা না করায় দুর্ভোগের অন্ত নেই।

স্কুলশিক্ষক জালাল উদ্দিন বলেন, সড়কজুড়ে অন্তত ৩০টি স্থানে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। তার ওপর দিয়েই ট্রাক, মাইক্রোবাস, অটোরিকশা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।
বেলকা বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক মিয়া বলেন, পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে উপজেলার যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই সড়ক। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করে। গর্তে গাড়ি পড়ে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজ কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি উপজেলা প্রকৌশলীকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান।
উপজেলা প্রকৌশলী তপন কুমার চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি জানার পর তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ছোট-বড় গর্ত মেরামতে জরুরি ভিত্তিতে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু করা হবে।

শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

বৃষ্টিতে সড়ক ধসে গর্ত

আপডেট: ০২:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

টানা বর্ষণে সুন্দরগঞ্জের মওলানা ভাসানী সেতুর সংযোগ সড়ক-সংলগ্ন বেলকা কদমতলী এলাকায় বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া ১৫ কিলোমিটারের ওই সড়কে কমপক্ষে ৩০টি স্থানে ছোট-বড় গর্ত রয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে পথচারী ও যানবাহন। যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এলজিইডি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানার পরও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার ভারী বর্ষণে পানির তোড়ে কদমতলী এলাকার সড়কে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক বালুর বস্তা দিয়ে পানি নেমে যাওয়ার পথ বন্ধ করে দেয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ব্যস্ততম এই রুটে প্রতিদিন পূর্বাঞ্চল হরিপুর, কঞ্চিবাড়ী, শান্তিরাম, চণ্ডিপুর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা যাতায়াত করে। মেরামতের কোনো ব্যবস্থা না করায় দুর্ভোগের অন্ত নেই।

স্কুলশিক্ষক জালাল উদ্দিন বলেন, সড়কজুড়ে অন্তত ৩০টি স্থানে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। তার ওপর দিয়েই ট্রাক, মাইক্রোবাস, অটোরিকশা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।
বেলকা বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক মিয়া বলেন, পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে উপজেলার যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই সড়ক। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করে। গর্তে গাড়ি পড়ে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজ কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি উপজেলা প্রকৌশলীকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান।
উপজেলা প্রকৌশলী তপন কুমার চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি জানার পর তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ছোট-বড় গর্ত মেরামতে জরুরি ভিত্তিতে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু করা হবে।

শেয়ার করুন