০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

বংশাই নদীতে বাঁধ, পচা আবর্জনা ও মৃত প্রাণীর গন্ধে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ, প্রশাসন নীরব

জাহিদুল কবির মধুপুর টাংগাইল প্রতিনিধি:
  • আপডেট: ০২:০০:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / 87

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ও সংগ্রামপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত ঐতিহ্যবাহী বংশাই নদী। এর রয়েছে অতীত ইতিহাস ঐতিহ্য। এক সময় ছিল খরস্রোতা। বর্তমানে এ নদীটি প্রায় মৃত অবস্থায় থাকার কারণে এক শ্রেণির অসাধু সিজনাল মাছ ব্যবসায়িরা নদীর এপার ওপারে আরাআড়ি বাঁধ নির্মাণ করে মাছ আহরণ করে রাতের আঁধারে বিক্রি করছে টাঙ্গাইল শহরের আরৎ গুলোতে।

এলাকার লোকজন ওই বাঁধের আশে পাশে যে কোন ধরণের জাল পেতে মাছ ধরতে গেলে তাদের উপর তেরে আসে বাঁধ নির্মাণকারী উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের চাপড়ী গ্রামের সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম মিয়ার প্রতিবেশী ও আত্মীয় আব্দুল জলিল ফকির তার ছেলে দুলাল ফকির, বেলাল ফকির ও তার নাতি খোরশেদ আলীর ছেলে হাসান আলী।

তাদের অত্যাচারের কারণে এলাকার লোকজনের এখন নদীতে মাছ ধরা আতঙ্কের হয়ে দাড়িয়েছে। তার উপর আবার নতুন উপদ্রব হয়ে দাড়িয়েছে বাঁধে নানা রকম ময়লা আবর্জনা ও মৃত কুকুর, বিড়াল,গরু ছাগলের লাশ। এ সকল পঁচা আবর্জনার দুরগন্ধে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। দুরগন্ধের কারনে এলাকায় ছড়াচ্ছে নানা রোগ বালাই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখত অভিযোগ দেয়ার পরও কোন কাজ করেনি প্রশাসন। কেন নির্বিকার এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনগণের মনে।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু সাইদের সাথে কথা বললে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে একবার বাঁধ ভেঙে দিয়েছি।  তাঁকে আবার নতুন করে বাঁধের খবর জানালে তিনি কোন সদুত্তর দেননি।

বিষয়টি প্রশাসনের উচ্চ মহলের দৃষ্টি কামনা করছে এলাকাবাসী।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

বংশাই নদীতে বাঁধ, পচা আবর্জনা ও মৃত প্রাণীর গন্ধে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ, প্রশাসন নীরব

আপডেট: ০২:০০:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ও সংগ্রামপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত ঐতিহ্যবাহী বংশাই নদী। এর রয়েছে অতীত ইতিহাস ঐতিহ্য। এক সময় ছিল খরস্রোতা। বর্তমানে এ নদীটি প্রায় মৃত অবস্থায় থাকার কারণে এক শ্রেণির অসাধু সিজনাল মাছ ব্যবসায়িরা নদীর এপার ওপারে আরাআড়ি বাঁধ নির্মাণ করে মাছ আহরণ করে রাতের আঁধারে বিক্রি করছে টাঙ্গাইল শহরের আরৎ গুলোতে।

এলাকার লোকজন ওই বাঁধের আশে পাশে যে কোন ধরণের জাল পেতে মাছ ধরতে গেলে তাদের উপর তেরে আসে বাঁধ নির্মাণকারী উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের চাপড়ী গ্রামের সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম মিয়ার প্রতিবেশী ও আত্মীয় আব্দুল জলিল ফকির তার ছেলে দুলাল ফকির, বেলাল ফকির ও তার নাতি খোরশেদ আলীর ছেলে হাসান আলী।

তাদের অত্যাচারের কারণে এলাকার লোকজনের এখন নদীতে মাছ ধরা আতঙ্কের হয়ে দাড়িয়েছে। তার উপর আবার নতুন উপদ্রব হয়ে দাড়িয়েছে বাঁধে নানা রকম ময়লা আবর্জনা ও মৃত কুকুর, বিড়াল,গরু ছাগলের লাশ। এ সকল পঁচা আবর্জনার দুরগন্ধে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। দুরগন্ধের কারনে এলাকায় ছড়াচ্ছে নানা রোগ বালাই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখত অভিযোগ দেয়ার পরও কোন কাজ করেনি প্রশাসন। কেন নির্বিকার এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনগণের মনে।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু সাইদের সাথে কথা বললে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে একবার বাঁধ ভেঙে দিয়েছি।  তাঁকে আবার নতুন করে বাঁধের খবর জানালে তিনি কোন সদুত্তর দেননি।

বিষয়টি প্রশাসনের উচ্চ মহলের দৃষ্টি কামনা করছে এলাকাবাসী।

শেয়ার করুন