০৭:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, সব জলকপাট খুলে দিয়েছে ব্যারাজ

ইউএনএ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:২৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 47

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে তিস্তার পানি হঠাৎ বেড়ে বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজের সবকটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী।

পাউবো জানায়, রোববার সকাল পর্যন্ত তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। দুপুর থেকে দ্রুত বাড়তে বাড়তে রাতে তা বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছায় এবং ভোরে তা অতিক্রম করে।

হঠাৎ পানির চাপ বৃদ্ধিতে নীলফামারীর ডিমলা ও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নদীর পাড়ঘেঁষা নিম্নাঞ্চলের কিছু জায়গায় ইতোমধ্যে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি ক্ষতির আশঙ্কায় বাসিন্দারা গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।

এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ১৪ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রংপুর বিভাগের প্রধান নদীগুলোর পানি আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে গিয়ে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করার আশঙ্কা রয়েছে। নদীপাড়ের মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, সব জলকপাট খুলে দিয়েছে ব্যারাজ

আপডেট: ১২:২৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে তিস্তার পানি হঠাৎ বেড়ে বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজের সবকটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী।

পাউবো জানায়, রোববার সকাল পর্যন্ত তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। দুপুর থেকে দ্রুত বাড়তে বাড়তে রাতে তা বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছায় এবং ভোরে তা অতিক্রম করে।

হঠাৎ পানির চাপ বৃদ্ধিতে নীলফামারীর ডিমলা ও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নদীর পাড়ঘেঁষা নিম্নাঞ্চলের কিছু জায়গায় ইতোমধ্যে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি ক্ষতির আশঙ্কায় বাসিন্দারা গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।

এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ১৪ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রংপুর বিভাগের প্রধান নদীগুলোর পানি আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে গিয়ে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করার আশঙ্কা রয়েছে। নদীপাড়ের মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন