১০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

স্থগিত দলের প্রতীকেও স্থগিতাদেশ : ইসি সানাউল্লাহ

ইউএনএ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 71

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম স্থগিত থাকলে তাদের নির্বাচনী প্রতীকও স্থগিত থাকবে। সে ক্ষেত্রে তারা দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। তবে প্রতীক ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে পারবে কি না, তা সময়ই নির্ধারণ করবে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। যদিও আওয়ামী লীগের নাম উল্লেখ করেননি, তবে স্থগিতাদেশে থাকা দল প্রসঙ্গে ইসির অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।

আরপিও সংশোধনের বিষয়ে সানাউল্লাহ জানান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তালিকায় সশস্ত্র বাহিনী যুক্ত করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্র স্থাপন করবেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। আদালতের রায়ে যারা ফেরারি থাকবেন তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। একইভাবে লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তি বা সরকারি মালিকানায় ৫০ শতাংশের বেশি শেয়ার থাকা প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও প্রার্থী হতে পারবেন না।

তিনি আরও বলেন, প্রার্থীর হলফনামায় মিথ্যা তথ্য বা তথ্য গোপন করলে ইসি ব্যবস্থা নিতে পারবে এবং সংসদ সদস্য পদ হারাতে হবে। প্রার্থীর জামানত ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া, একক প্রার্থী থাকলে সেই আসনে ‘না ভোট’ রাখার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন হলে প্রার্থীরা নিজ নিজ দলের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ইভিএম সম্পর্কিত সব বিধান বাতিল করা হয়েছে। ভোট গণনায় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত থাকতে পারবেন। তবে নির্বাচনী পোস্টার বাতিল করা হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আচরণবিধি ভঙ্গের সুযোগ থাকবে না।

ইসি সানাউল্লাহ আরও বলেন, নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন স্থগিত থাকবে এবং তাদের প্রতীক সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া আরপিওর কিছু স্থানে ‘ভোট’ শব্দের পরিবর্তে ‘নির্বাচন’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

স্থগিত দলের প্রতীকেও স্থগিতাদেশ : ইসি সানাউল্লাহ

আপডেট: ০৫:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম স্থগিত থাকলে তাদের নির্বাচনী প্রতীকও স্থগিত থাকবে। সে ক্ষেত্রে তারা দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। তবে প্রতীক ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে পারবে কি না, তা সময়ই নির্ধারণ করবে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। যদিও আওয়ামী লীগের নাম উল্লেখ করেননি, তবে স্থগিতাদেশে থাকা দল প্রসঙ্গে ইসির অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।

আরপিও সংশোধনের বিষয়ে সানাউল্লাহ জানান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তালিকায় সশস্ত্র বাহিনী যুক্ত করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্র স্থাপন করবেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। আদালতের রায়ে যারা ফেরারি থাকবেন তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। একইভাবে লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তি বা সরকারি মালিকানায় ৫০ শতাংশের বেশি শেয়ার থাকা প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও প্রার্থী হতে পারবেন না।

তিনি আরও বলেন, প্রার্থীর হলফনামায় মিথ্যা তথ্য বা তথ্য গোপন করলে ইসি ব্যবস্থা নিতে পারবে এবং সংসদ সদস্য পদ হারাতে হবে। প্রার্থীর জামানত ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া, একক প্রার্থী থাকলে সেই আসনে ‘না ভোট’ রাখার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন হলে প্রার্থীরা নিজ নিজ দলের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ইভিএম সম্পর্কিত সব বিধান বাতিল করা হয়েছে। ভোট গণনায় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত থাকতে পারবেন। তবে নির্বাচনী পোস্টার বাতিল করা হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আচরণবিধি ভঙ্গের সুযোগ থাকবে না।

ইসি সানাউল্লাহ আরও বলেন, নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন স্থগিত থাকবে এবং তাদের প্রতীক সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া আরপিওর কিছু স্থানে ‘ভোট’ শব্দের পরিবর্তে ‘নির্বাচন’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।

শেয়ার করুন