১২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

মধুপুরে কাঠ নিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে ছিন্ন মূল মানুষেরা

জাহিদুল কবির, মধুপুর, টাংগাইল:
  • আপডেট: ১১:৪৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 28

উত্তরের হিমেল হাওয়ায় ও কনকনে শীতে টাঙ্গাইলের মধুপুরের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে দুর্ভোগ বেড়েছে। বেশি বিপাকে পড়েছেন শিশু, বয়ষ্ক ও খেটে নিম্ন আয়ের মানুষ।

তীব্র শীতের কারণে তারা বেশি সময় ধরে মাঠে কাজ করতে পারছেন না। আবার কাজে না গেলেও দুই মুঠো খাবার জোটে না। তাই বাধ্য হয়েই দিনমজুরদের বের হতে হচ্ছে কাজের সন্ধানে ।

গত সপ্তাহের শুরুর দিক থেকে মধুপুর উপজেলার ও এর আশপাশের উপজেলাগুলোতে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে । তবে গত ৫/৭ দিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়েছে অনেক। সকাল থেকে দিনভর সূর্যের দেখা মিলছে না। দিনে কিছু সময়ের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও সেটি দীর্ঘস্থায়ী থাকছে না।

এছাড়া কুয়াশার সঙ্গে বইছে উত্তর দিক থেকে বয়ে যাওয়া হিমেল হাওয়া। এতে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। রাতের পাশাপাশি দিনের বেলায়ও কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন মানুষ। বেলা পরে যাওয়ার সাথে সাথে তাপমাত্রা কমতে থাকে।

প্রচন্ড শীত নিবারনের জন্য রাস্তা দোকান পাটে আশে পাশে লোক জন শুকানো কাঠ আর বাঁশ কাগজ দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারন করছে গ্রামের অসহায় দিনমজুর মানুষগুলো এমন কিছু চিত্র দেখা মিলেছে আকাশী ফুলবাড়িয়া মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায়।

ফুলবাড়ি গ্রামের বৃদ্ধা মো: কাশেম আলী (৭০) জানান গত বছয়ের তুলনার এবছর শীতের তীব্রতা অনেক বেশি। শীতের কারনে আমার আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারন করছি। রানিয়াদ গ্রামের দিনমজুর মো: মুক্তার হোসেন( ৬৫) জানান, শীত কষ্ট সহ্য করতে পারিনা তাই আগুন পোহাতে আসছি । এরই মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন
ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

মধুপুরে কাঠ নিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে ছিন্ন মূল মানুষেরা

আপডেট: ১১:৪৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

উত্তরের হিমেল হাওয়ায় ও কনকনে শীতে টাঙ্গাইলের মধুপুরের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে দুর্ভোগ বেড়েছে। বেশি বিপাকে পড়েছেন শিশু, বয়ষ্ক ও খেটে নিম্ন আয়ের মানুষ।

তীব্র শীতের কারণে তারা বেশি সময় ধরে মাঠে কাজ করতে পারছেন না। আবার কাজে না গেলেও দুই মুঠো খাবার জোটে না। তাই বাধ্য হয়েই দিনমজুরদের বের হতে হচ্ছে কাজের সন্ধানে ।

গত সপ্তাহের শুরুর দিক থেকে মধুপুর উপজেলার ও এর আশপাশের উপজেলাগুলোতে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে । তবে গত ৫/৭ দিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়েছে অনেক। সকাল থেকে দিনভর সূর্যের দেখা মিলছে না। দিনে কিছু সময়ের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও সেটি দীর্ঘস্থায়ী থাকছে না।

এছাড়া কুয়াশার সঙ্গে বইছে উত্তর দিক থেকে বয়ে যাওয়া হিমেল হাওয়া। এতে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। রাতের পাশাপাশি দিনের বেলায়ও কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন মানুষ। বেলা পরে যাওয়ার সাথে সাথে তাপমাত্রা কমতে থাকে।

প্রচন্ড শীত নিবারনের জন্য রাস্তা দোকান পাটে আশে পাশে লোক জন শুকানো কাঠ আর বাঁশ কাগজ দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারন করছে গ্রামের অসহায় দিনমজুর মানুষগুলো এমন কিছু চিত্র দেখা মিলেছে আকাশী ফুলবাড়িয়া মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায়।

ফুলবাড়ি গ্রামের বৃদ্ধা মো: কাশেম আলী (৭০) জানান গত বছয়ের তুলনার এবছর শীতের তীব্রতা অনেক বেশি। শীতের কারনে আমার আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারন করছি। রানিয়াদ গ্রামের দিনমজুর মো: মুক্তার হোসেন( ৬৫) জানান, শীত কষ্ট সহ্য করতে পারিনা তাই আগুন পোহাতে আসছি । এরই মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন